দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুমিল্লার দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ বারীকে মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগের ঘটনায় পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজ) করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে তাকে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) শামসুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, গত ২৭ জুন রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধার করা গাঁজা জব্দ না করে মাদক কারবারিদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্তরা হলেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমাম উদ্দিন ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হাফিজুর রহমান। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।
থানার একাধিক সূত্রের দাবি, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের সামনে একটি কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি বস্তায় থাকা প্রায় ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে কাভার্ডভ্যানটি কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখার পর উদ্ধার করা গাঁজা ধাপে ধাপে কয়েকজন মাদক কারবারির কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এসআই ইমাম উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সেদিন আমি নাইট ডিউটিতে ছিলাম। গাঁজা উদ্ধার বা বিক্রির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
এএসআই হাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে ইমাম স্যার জানেন। আমি কিছু বলতে পারব না।’
এ বিষয়ে সদ্য ক্লোজ হওয়া ওসি এম এ বারী বলেন, দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তাধীন। নিজের ক্লোজ হওয়ার বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
এমএস/