দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দীর্ঘ ছয় মাস পর আজ শনিবার (২৭ জুন) খোলা হচ্ছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স। সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ১৩টি সিন্দুক খোলা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে সবশেষ গতবছরের ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল দানবাক্সগুলো। সেসময় ১৩টি সিন্দুকে ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। গণনা শেষে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকারসহ নানা পণ্য সামগ্রী পাওয়া যায়।
জানা গেছে, তিন থেকে চার মাস পরপর সিন্দুকগুলো খোলা হয়। দেখা যায়, প্রতিবারই আগের চেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যাচ্ছে। সে হিসেব অনুযায়ী যেহেতু ছয় মাস পর খোলা হচ্ছে তাতে অতীতের সব রেকর্ড ভাঙবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, সকল ধর্মের মানুষের কাছে পাগলা মসজিদ এক সার্বজনীন পবিত্র ধর্মীয় কেন্দ্র। মানুষজন বিশ্বাস করেন, যদি কেউ একনিষ্ঠ নিয়তে পাগলা মসজিদে কোনো কিছু দান করেন, তাহলে তার মনের বাসনা পূরণ হয়। এমন বিশ্বাসের কারণে মানুষজন পাগলা মসজিদে প্রচুর দান-খয়রত করেন। অনেক মানুষ মনের বাসনা, রোগমুক্তি, উচ্চ শিক্ষা, সন্তান লাভসহ বিভিন্ন নিয়তে এই মসজিদে মানত করে থাকেন।
শুধু টাকা-পয়সা নয়, অনেকেই স্বর্ণালংকার, হাঁস-মুরগি, গবাদি প্রাণি ও বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী দান করে থাকেন। প্রচলিত আছে, পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক সাধক নরসুন্দা নদীর বুকে মাদুরে ভেসে মসজিদের স্থানে এসে অবস্থান নেন। এরপর ধীরে ধীরে তাকে ঘিরে ভক্ত সমাগম হতে থাকে। আধ্যাত্মিক সাধকের মৃত্যুর পর তার কবরের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। যা বর্তমানে পাগলা মসজিদ নামে সুপরিচিত।
১৯৭৯ সালের ১০মে থেকে ওয়াকফ-স্টেট মসজিদটি পরিচালনা করছে। মসজিদটি আড়াইশো বছরের পুরনো।
কে