দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

হবিগঞ্জের মাধবপুরে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় পুলিশের হেফাজত থেকে এক আসামি হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক এসআইসহ ছয় সদস্যকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন বিকেলে মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের দেবনগর এলাকায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান চালায়। এসআই মো. সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযানে ডিবির কয়েকজন সদস্য ও সদর মডেল থানার কনস্টেবলরা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে দেবনগর গ্রামের জুয়েল মিয়া (৩০) নামের এক সন্দেহভাজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর সময় তিনি পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় লোকজনও ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।
এ সময় সৃষ্ট বিশৃঙ্খলার মধ্যে হ্যান্ডকাফসহ পালিয়ে যান আটক জুয়েল মিয়া। ঘটনায় ডিবির দুই সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।
ধর্মঘর ইউনিয়নের স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি জানান, ডিবি পুলিশের সদস্যরা সাদা পোশাকে থাকায় অনেকেই তাদের পরিচয় ভুল বুঝেছিলেন, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।
ঘটনার দুই দিন পর, ১৭ জুন প্রশাসনিক কারণে ডিবির এসআই মো. সাইফুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেন, ইয়াকুব মিয়া, মো. আলমগীর কবির এবং সদর থানার কনস্টেবল শরীফুল ইসলাম খান ও মো. সোহাগ মিয়াকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। পুলিশ সুপারের নির্দেশে তারা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পুলিশ লাইন্সে দায়িত্ব পালন করবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক বলেন, সংশ্লিষ্ট দুই কনস্টেবলের মধ্যে একজন আগে থেকেই বদলি ছিলেন এবং অন্যজন অনুমতি ছাড়া অভিযানে অংশ নেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ মো. শামীম আহমেদ বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তবে প্রশাসনিক কারণে সংযুক্তির সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ঘটনায় মন্তব্য জানতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
জে আই