দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্ত এলাকায় রাতভর টহলে বাঁশি, টর্চলাইট, নাইট ভিশন গগলস ও বাইনোকুলারসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।
রোববার (৭ জুন) বিকেলে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দেশ থেকে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে বিভিন্ন ব্যক্তিকে সীমান্ত পথে পুশ-ইনের প্রচেষ্টার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে ১৪ বিজিবি সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি দিনরাত প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ও নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
এতে আরও বলা হয়, সীমান্তে সার্বক্ষণিক নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত টহল কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সদর দপ্তর বিজিবির নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত এলাকায় রাতের টহলে বাঁশি, টর্চলাইট, নাইট ভিশন গগলস ও বাইনোকুলারসহ প্রযুক্তিনির্ভর সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য পুশ-ইন এলাকা ড্রোনের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সীমান্তবর্তী জনগণকে সীমান্ত অতিক্রম না করার বিষয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।
এছাড়া মানবপাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইন প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, আনসার-ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশ-ইন, মানবপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে প্রতিপক্ষ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও সমন্বয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে প্রচলিত কূটনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে।
বিজিবি স্থানীয় জনগণকে সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যকলাপ দেখলে নিকটস্থ ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনগণের সহযোগিতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।
বিজিবি জানায়, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় তারা সর্বদা সতর্ক ও দায়িত্বশীল অবস্থানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
এমএস/