দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সমাবেশের ঘটনায় সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) রাতে ফটিকছড়ি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পুলিশ বাদী হয়ে এ মামলা করে। মামলায় মোট ২৯ জনকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া ৮০ থেকে ৯০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুজন গ্রেপ্তার এবং বাকি ২৭ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।
আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন- সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, সাবেক সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, বখতিয়ার সাঈদ ইরান, সাবরিনা চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তাররা হলেন- নাজিরহাট পৌরসভার পূর্ব সুয়াবিল এলাকার মো. জামান বাবু (২৩) ও সাইফুল ইসলাম সজিব (২৫)। অন্যজনের নাম জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফটিকছড়ি থানার একটি টহল দল খবর পায়, উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নের আজিমনগর এলাকায় নাজিরহাট-মাইজভান্ডার সড়কে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মশাল মিছিল করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মিছিল থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয় এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অংশগ্রহণকারীরা হাতে থাকা বাঁশের তৈরি মশাল ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় ধাওয়া দিয়ে কয়েকজনকে আটক করা হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে চারটি বাঁশের তৈরি মশাল জব্দ করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পেরেছে, কয়েকজন শীর্ষ নেতার নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রমের প্রস্তুতির উদ্দেশে তারা সেখানে সমবেত হয়েছিল।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল আলম বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সভা ও মিছিলের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছ। পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কেএম