দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও এবার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে দেখা গেছে স্বস্তির পরিবেশ। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত এই ঘাট এলাকায় মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল থেকেই ঢাকামুখী মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে।
তবে আগের মতো দীর্ঘ সময় যানজট বা ফেরি পারাপারে আটকে থাকার ভোগান্তি এবার চোখে পড়েনি। ঘাট কর্তৃপক্ষের আগাম প্রস্তুতি, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা এবং পর্যাপ্ত ফেরি চলাচলের কারণে দ্রুতই নদী পার হচ্ছেন যাত্রীরা।
ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সারি তৈরি হলেও তা খুব বেশি সময় স্থায়ী হচ্ছে না। সিরিয়াল অনুযায়ী দ্রুতই যানবাহনগুলো ফেরিতে ওঠানো হচ্ছে।
ঘাট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রী ও যানবাহন পারাপার নির্বিঘ্ন রাখতে এবার বিশেষ ব্যবস্থাপনা নেওয়া হয়েছে। ঘাটে আসা বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে ফাঁকা বাস ফেরিতে তোলা হচ্ছে, ফলে ঘাট এলাকায় জটলা তৈরি হচ্ছে না।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৫টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করছে।
দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, ঈদের পর ঢাকামুখী যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও বর্তমানে কোনো ভোগান্তি নেই। পর্যাপ্ত ফেরি চলাচলের কারণে যানবাহন দ্রুত পারাপার হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, ঘাট ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিআইডব্লিউটিসির বিভিন্ন পর্যায়ের টিম কাজ করছে।
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, যাত্রীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত করতে নৌপথ ও ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে। স্পিডবোট টহল এবং কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে ঈদের পর ফিরতি যাত্রায় দৌলতদিয়া ঘাটে স্বস্তির পরিবেশে নদী পার হচ্ছেন কর্মজীবী মানুষরা।
এমএস/