দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সকাল গড়াতেই যেন আগুন ছড়াতে শুরু করে সূর্য। দুপুর নামতেই রাস্তাঘাট ফাঁকা। চারদিকে ঝাঁঝালো রোদ। টানা কয়েকদিনের দাবদাহে পুড়ছে উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কুড়িগ্রাম। ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দিন এনে দিন খাওয়া মানুষগুলো।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ মে থেকে জেলায় তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। ১ জুন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে তাপমাত্রার চেয়েও বেশি ভোগাচ্ছে বাতাসের আর্দ্রতা আর ভ্যাপসা গরম।
দাবদাহের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়কের পিচ নরম হয়ে উঠে আসছে। কোথাও কোথাও পিচ জুতার সঙ্গে লেগে যাচ্ছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচলও।চিকিৎসকরাও সতর্ক করছেন তাপজনিত রোগ নিয়ে।

কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের রিকশা চালক শমসের আলী বলেন, ‘সকাল থেকেই এত গরম থাকে যে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে যায়। দুপুরে তো মনে হয় শরীর আগুনে পুড়ছে। কিন্তু বসে থাকলে তো সংসার চলবে না।’
একই এলাকার কৃষক ইউনুস আলী বলেন, ‘রোদের তাপে মাঠে থাকা খুব কষ্ট। পানি খেয়েও শান্তি মেলে না। কিন্তু কাজ না করলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।’
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক, জ্বর, ডায়রিয়াসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। এ সময় বেশি করে পানি পান ও প্রয়োজন ছাড়া দুপুরে বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।’
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আগামী ৪ ও ৫ জুনের মধ্যে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে।
কেএম