দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ের মরদেহ নিয়ে থানায় হাজির হয়ে হত্যার বিচার চাইলেন বাবা মামুন আবদুল্লাহ। সোমবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যার পর তিনি মেয়ে মাইশার (১৩) মৃতদেহ নিয়ে কোতোয়ালী থানায় হাজির হন।
রোববার (৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইশা মারা যায়। পুলিশ মামুনের লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্ত সাপেক্ষে মামলা গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।
মামুন আবদুল্লাহ বরিশাল নগরীর ২৩নং ওয়ার্ডের রূপাতলী বসুন্ধরা হাউজিং এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা। তার মেয়ে মাইশা (১৩) তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
মামুন আবদুল্লাহ জানান, তার বাড়ির মালিক আবুল কালামের স্ত্রী তাহারত আক্তারের একটি জুতা বৃহস্পতিবার বিকেলে তিন তলার ছাদ থেকে নিচের কার্নিশে পড়ে। ওই জুতা তোলার জন্য মাইশাকে কার্নিশে নামান তাহারত। তখন মাইশা পা পিছলে কার্নিশ থেকে নিচে পড়ে যায়। তার ডাক-চিৎকারে মামুন ঘটনাস্থলে গিয়ে মাইশাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকরা মাইশাকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। ঢাকা মেডিকেলের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বিকেলে মাইশার মৃত্যু ঘটে।
এ ঘটনায় মাইশার বাবা মামুন আবদুল্লাহ তার মেয়ের মৃত্যুর জন্য বাড়ির মালিকের স্ত্রী, বোন ও তার মাকে দায়ী করেছেন। তিনি তিনজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
কোতোয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক বিপ্লব কুমার মিস্ত্রী জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আরএ