দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুড়িগ্রামে বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কমেছে। বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি ও মৌসুমি উৎপাদন বেশি হওয়ায় গত কয়েক দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে একই সময়ে কিছুটা বেড়েছে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম।
শুক্রবার (২২ মে) সকালে কুড়িগ্রাম জিয়া কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বেগুন প্রতি কেজি ৩০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, করলা ৪০ টাকা এবং ঢেঁড়স ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
সবজির দাম কমায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজার করতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এখন অনেক কম দামে সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এতে সংসারের খরচ কিছুটা কমেছে।
জিয়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মাঈদুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে বাজারে স্থানীয় ও বাইরের জেলার সবজির আমদানি অনেক বেশি। সরবরাহ ভালো থাকায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কমেছে।
আরেক ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন, ঢেঁড়স, ঝিঙে ও বেগুনের উৎপাদন বেশি হওয়ায় এসব সবজির দাম অনেকটা কমেছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আগামী কয়েকদিনে দাম আরও কমতে পারে বলেও জানান তিনি।
এদিকে বাজারে পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৬৫ টাকা এবং মানভেদে রসুন ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ পরিস্থিতি ও পাইকারি বাজারে দামের তারতম্যের কারণে মসলাজাতীয় পণ্যের দাম বেড়েছে।
ক্রেতা মাসুদ রানা বলেন, সবজির দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। তবে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ায় রান্নাঘরের খরচ আবারও বেড়ে যাচ্ছে।
আরেক ক্রেতা মফিজুল হক বলেন, অনেকদিন পর বাজারে সবজির দাম কম দেখা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তি বজায় থাকবে।
জে আই