দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মহানগর শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পরপরই দলের একাংশের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই কয়েকজন নেতা-কর্মী এটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে গণপদত্যাগের ঘোষণা দেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ১৬৯ সদস্যবিশিষ্ট চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করা হয়।
নতুন কমিটিতে মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক এবং জাফর আহমদ চৌধুরী ও জসিম উদ্দিন ওপেলকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে। ছয় মাস মেয়াদি এই কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে আরিফ মঈনুদ্দিনকে।
তবে কমিটি ঘোষণার পরপরই এর বৈধতা ও গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দলের কয়েকজন নেতা-কর্মী। তারা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কমিটির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দেন।
সদ্য ঘোষিত কমিটিতে দপ্তর সম্পাদকের পদ পাওয়া মোহাম্মদ রাফসানজানি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর ফলে চট্টগ্রাম মহানগরে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
রাফসানজানি আরও বলেন, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে এটিই আমার প্রথম এবং শেষ সংবাদ সম্মেলন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আরাফাত আহমেদ রনি অভিযোগ করেন, দলের শুরু থেকে সক্রিয় থাকা ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান কমিটির ৭০ শতাংশ সদস্যই নতুন। অনেককে কক্সবাজার থেকে এনে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যোগ্যদের বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে পদ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নতুন কমিটির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন।
তিনি বলেন, পুরোনো জরাজীর্ণ ব্যবস্থা ভেঙে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রতিশ্রুতি এনসিপি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই। এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।
জে আই