দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও একটি মোবাইল ফোন টাওয়ার ভেঙে পড়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটে।
মঙ্গলবার সকালে ঘণ্টাব্যাপী বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় জেলার সীমান্তবর্তী কসবা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। এতে অন্তত ৩০টি বাড়িঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিন শতাধিক গাছপালা উপড়ে পড়ে।
স্থানীয়রা জানান, সকালে হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে প্রবল বাতাস ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। ঝড়ের তীব্রতায় কসবা উপজেলার তিনলাখ পীর, শিকারপুর, বাদৈর, মূলগ্রাম, মইনপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘরবাড়ির চালা উড়ে যায় এবং গাছপালা উপড়ে পড়ে সড়ক ও স্থাপনার ওপর পড়ে। কয়েকটি মসজিদ ও মাদরাসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
কসবা উপজেলার তিনলাখ পীর এলাকায় একটি মোবাইল ফোন টাওয়ার ভেঙে পড়েছে। এতে ওই এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। প্রাথমিকভাবে ৩০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
এদিকে ঝড় ও ভারী বৃষ্টির কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এতে পরীক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে পড়েন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে প্রতিবছরই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এমএস/