দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ছয় বছর বয়সী স্কুলছাত্রী নিশাত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, ‘অনৈতিক কাজে বাধা’ দেওয়ায় প্রতিবেশী ইসহাক মিয়া শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার মোহনপুর গ্রাম থেকে ইসহাক মিয়াকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার সচীন চাকমা।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইসহাক হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
পিবিআইর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৫ এপ্রিল দুপুরে মোহনপুর গ্রামের একটি স্কুলের সামনে নিশাতের সঙ্গে ইসহাকের দেখা হয়। পরে ঘুরতে নেওয়ার কথা বলে তাকে সদর উপজেলার রসুলপুর এলাকার একটি পার্কে নিয়ে যায়।
সারাদিন সেখানে কাটানোর পর রাত ১০টার দিকে নিশাতকে নিয়ে গ্রামে ফিরে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় ইসহাক। ওই সময় বাড়িতে সে একাই ছিল স্ত্রী-সন্তান শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন।
পুলিশ সুপার সচীন চাকমা বলেন, ইসহাক শিশুটির সঙ্গে অনৈতিক কাজের উদ্দেশ্য নিয়েছিল। একপর্যায়ে নিশাত বাধা দিয়ে মাকে বলে দেওয়ার কথা জানালে, বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে গেঞ্জি দিয়ে মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়।
হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পিবিআই।
১৫ এপ্রিল দোকান থেকে চিপস কিনতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় নিশাত। নিখোঁজের দুই দিন পর শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পাশের একটি খোলা জায়গা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত নিশাত সৌদি আরবপ্রবাসী আবু সাদেক মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের নার্সারি বিভাগের ছাত্রী। এ ঘটনায় নিশাতের মা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।
এদিকে, ইসহাক গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। পরে তারা অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
জে আই