দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ বাজারে জুয়েলারি ব্যবসার আড়ালে চড়া সুদের বন্ধকী ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মাগুরা, ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ী—তিন জেলার সীমান্তবর্তী এই বাজারে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কার্যক্রম চলছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সরেজমিনে জানা যায়, লাঙ্গলবাঁধ বাজারের জুয়েলারি দোকানগুলোতে স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রেখে ঋণ দেওয়া হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুদসহ টাকা পরিশোধ না করলে ওই স্বর্ণ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাজারে শতাধিক জুয়েলারি দোকানে এই বন্ধকী ব্যবসার আড়ালে কোটি কোটি টাকার লেনদেন চলছে। এতে গ্রাহকদের কাছ থেকে উচ্চহারে সুদ আদায় করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, জরুরি প্রয়োজনে স্বর্ণ বন্ধক রেখে দ্রুত টাকা পাওয়া গেলেও শর্ত অনুযায়ী সময়মতো টাকা ফেরত দিতে না পারলে স্বর্ণ হারানোর ঝুঁকি থাকে। অনেক ক্ষেত্রে তিন মাস সুদ না দিলে স্বর্ণ গলিয়ে বিক্রির কথাও বলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা জানান, তারা স্বর্ণ বন্ধক রাখার জন্য আলাদা রেকর্ড সংরক্ষণ করেন এবং গ্রাহকদের নির্ধারিত শর্তে টাকা দেওয়া হয়।
লাঙ্গলবাঁধ বাজার কমিটির সভাপতি মো. ইসমাইল শেখ বলেন, স্বর্ণ ব্যবসা নিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে মাঝে মাঝে সমস্যা হয়। তবে তারা কীভাবে এই বন্ধকী কার্যক্রম চালায় তা জানা নেই।
ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোছা. হাসিনা খাতুন বলেন, স্বর্ণ কেনাবেচার জন্য ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়, তবে বন্ধকী ব্যবসার জন্য কোনো অনুমোদন নেই।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাজমুল বলেন, জুয়েলারি ব্যবসার আড়ালে বন্ধকী ব্যবসা চালানো অবৈধ। এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএস/