দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ঘটনাটির ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজাল।
পুলিশ জানায়, গত ২৬ মার্চ রাতে ভিকটিম তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রথমে ওই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে। পরে আরও কয়েকজন এসে প্রেমিককে মারধর করে সরিয়ে দিয়ে ভিকটিমকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় এক আসামি মোবাইল ফোনে ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়।
ঘটনার বিষয়ে প্রথমে ভিকটিমের পরিবার অস্বীকার করলেও পরে আইনি সহায়তার আশ্বাস পেয়ে ২৭ মার্চ ভিকটিমের ফুফু বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রুজু করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, ৩১ মার্চ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে। পরবর্তীতে মহেশপুর, চুয়াডাঙ্গা ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে একে একে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানায় পুলিশ।
এদিকে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন দুটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ভিকটিমের জবানবন্দিও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী আদালতে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, অভিযোগ দায়েরের পর থেকেই পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে। ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।
জে আই