দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের নকলা উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত কিশোর সজীব মিয়া (১৪) চার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সজীব নকলা উপজেলার টালকি ইউনিয়নের বিবিরচর গ্রামের কৃষক ফারহান মিয়ার একমাত্র ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ রাত ১০টার দিকে একই গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে রিফাতসহ আরও ৩-৪ জন সজীবকে আড্ডা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে তার পেট গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নকলা উপজেলার বাইপাস এলাকা থেকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। মোবাইল ফোন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
ঘটনার পরদিন ১১ মার্চ দুপুরে শেরপুর সদর সার্কেল অফিসারসহ নকলা থানার পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী তৈয়বুর রহমান বলেন, সামাজিক ও পারিবারিক অবক্ষয়ের কারণেই সমাজে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটছে। তিনি দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
নকলার টালকি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও নকলা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ খোরশেদুর রহমান সজীবের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, সজীবের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন পাওয়া মাত্র তা আদালতে পাঠানো হবে। মরদেহ এখনো বাড়িতে পৌঁছায়নি।
জে আই