দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা আসমা সাদিয়া নিহতের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় মামলা করেন নিহত শিক্ষিকার স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান।
মামলার আসামিরা হলেন-ইবির সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিষ্টার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার, সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান ও কর্মচারী ফজলুর রহমান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছেন তারা।
এদিকে নিহত শিক্ষক আসমা সাদিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো কিছু দিয়ে ২০টির বেশি আঘাতের চিহ্ন পেয়েছেন ময়নাতদন্তকারীরা।
ময়নাতদন্ত করেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) হোসেন ইমাম বলেন, নিহত শিক্ষকের গলার নিচে সজোরে আঘাত করা হয়েছে। এতে গভীর ক্ষত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এতেই তার মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বুক, পেট, হাত–পাসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ২০টি আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাতে মনে হয়েছে, ঘটনার সময় ধস্তাধস্তি হয়েছে। বাঁচার জন্য শিক্ষক হাত দিয়ে ঠেকাতে গেছেন, এতে হাতেও আঘাত লেগেছে। যেভাবে আঘাত করা, তা খুবই ক্ষোভ ও আক্রোশের বহিঃপ্রকাশ মনে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল চারটার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এবি/