দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে মো. ইদ্রিস (৪৫) নামের এক যুবককে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তির মরদেহ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সময় ইদ্রিস জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপকর্ম নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেয় এবং কমেন্ট করে। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। কয়েকদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ইদ্রিস পাখিমারা বাজারে যায়। এসময় জহিরসহ তাকে আরও কয়েকজন ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। এরপর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নারায়নগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে যান স্বজনরা। পরে গতকাল রাত ১০টার দিকে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। তবে তিনি বা তার সহযোগিরা ইদ্রিসকে কোনো মারধর করেননি।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, তার মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরএ