দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গত ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে শরীফ ওসমান হাদি স্টাইলে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আটক শাহীন কাজী স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার গভীর রাতে আটক করা হয় অপর আসামি মনিরুলকে। গত ১৩ জানুয়ারি ডিবির হাতে আটকের পর হত্যা মিশনে ব্যবহৃত সুজুকি মনোটন মোটরসাইকেলটি ব্যবহারের কথাও স্বীকার করেছিল শাহীন। যার মালিক মনিরুল নিজেই।
মনিরুলকে আটকের পর উদ্ধার করা হয় হত্যায় ব্যবহৃত সেই সুজুকি মনোটন বাইকটিও। বাইকটি উদ্ধারের পর শুরু যত ‘জল্পনা কল্পনা’। বাইকের নাম্বার প্লেটের স্থানে নাম্বারের বদলে লেখা ছিল ‘হাদি কোনো নাম নয়- হাদি মানে বাংলাদেশ’।
এই লেখা ও বিএনপি নেতা আলমগীরকে গুলি করার ধরণ এক অদ্ভুত সমালোচনার জন্ম দিয়েছে । প্রশ্ন উঠেছে খুনি কি ‘হাদি হত্যার ধরণটি ইচ্ছা করেই বেছে নিয়েছিল নাকি হত্যার পর বিপ্লবী বেশ ধারণ করেছিল’। কোন যুক্তি তর্কেই যার সমাধান সমীকরণ মিলছে না।
অপরদিকে রোববার সন্ধ্যায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহম্মেদ ইমনের বিচারিক আদালতে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে মনিরুল। বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন। এ নিয়ে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মোট ৫ জনকে আটক করল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই অলোক কুমার দের নেতৃত্বাধীন টিম।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা ডিবির উপপরিদর্শক অলক কুমার দে জানিয়েছেন , মনিরুল শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। চাঞ্চল্যকর এ হত্যার ঘটনায় নিহতের জামাতা পরশ অন্য আসামিদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে নিজ শ্বশুরকে হত্যা করিয়েছিল। পরশও কারাগারে রয়েছে।
সর্বশেষ আটক হত্যাকারী মনিরুলের বাইকের পেছনে বিপ্লবী চেতনার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেননি ডিবির এই কর্মকর্তা।
আরএ