দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নরসিংদীর মাধবদীতে আমেনা আক্তার (১৫) নামে এক তরুণীকে বাবার কাছ থেকে তোলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা খেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, নিহতের বাবা আশরাফ হোসেন বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সুবাদে স্ত্রী-কন্যাসহ মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একটি দল এলাকা থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসাও করা হয়।
বুধবার রাতে বাবা আশরাফ হোসেন তার কাজ শেষ মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছলে নূরার নেতৃত্বে আরো ৫ জন মিলে তার বাবার কাছ থেকে আমেনাকে জোরপূর্বক তোলে নিয়ে যায়। পরে পরিরেরর লোকজনসহ বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে বাড়ি ফিরে যায়। সকালে একই এলাকার একটি সরিষা খেত থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহটি দেখতে পায় স্থানীয়রা।
এব্যাপারে নিহত মেয়ের বাবা মো. আশরাফ জানান, নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার সামনে থেকে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি আমেনার লাশ ঘটনাস্থলে পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে জানতে পেরেছি মেয়েটির সাথে নুরার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। গতকাল বুধবার তাকে বাবার কাছ থেকে নুরা তোলে নিয়ে গিয়েছিল বলে জেনেছি। পরে সকালে মরদেহ পাওয়া যায়। এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে। আর ধর্ষণের বিষয়টি তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।
জে আই