দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাবনার সুজানগর উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীসহ নেতাকর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুইজন নারী কর্মীসহ মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের রায়পুর মাঝপাড়া, পৌর এলাকার চর সুজানগর এবং আহমদপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, উপজেলা জামায়াতের ওলামা বিভাগের সভাপতি হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি হাফেজ আমিনুল ইসলাম শিমুল, পৌর ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইনামুল হক, জামায়াতের নারী কর্মী মারজিয়া খাতুন ও ফিরোজা বেগম।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা উপজেলা জামায়াতের ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলামের বাড়িতে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গেলে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী নারী কর্মীদের প্রথমে বাধা দেন। একপর্যায়ে নারী কর্মীদের মারধর করা হলে পাশে থাকা পুরুষ কর্মীরা এগিয়ে গেলে তাদেরকেও এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে মোট ১০ জন আহত হন, যার মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এছাড়াও একই দিনে সুজানগর পৌর এলাকার চর সুজানগরে জামায়াতের নারী কর্মীদের প্রচারণায় বাধা ও মারধরের অভিযোগ ওঠে। অপরদিকে আহমদপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর এলাকায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের প্রচারণাতেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি ভবানীপুর পশ্চিম পাড়া থেকে শুরু হয়ে সুজানগর বাজার প্রদক্ষিণ করে আবার ভবানীপুর পশ্চিম পাড়ায় গিয়ে শেষ হয়।
এ বিষয়ে পাবনা-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, “আজ সুজানগরে তিনটি ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। ইতোমধ্যেই স্বপ্রণোদিতভাবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে পাবনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী সেলিম রেজা হাবিব বলেন, এই ঘটনাগুলো কীভাবে হচ্ছে, তা আমি নিজেও বুঝতে পারছি না। যারা অভিযুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে ইউএনও (সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা) আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন, তা নেবেন।
জে আই