দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পরিচয় জেনেও বরগুনায় আবু মুছা নামে এক পুলিশ সদস্যকে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মারধরের দৃশ্য মোবাইলে ধারণও করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় ওই পুলিশ সদস্যকে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে বরগুনা সদর থানায় একটি মামলা হয়। অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) রাতে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মারধরের শিকার আবু মুছা বরগুনা সদর থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত আছেন।
অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- মো. গোলাম মাওলা মল্লিক (৩৮), মো. সোহাগ হাওলাদার (২৬), মোসা. শর্মী আক্তার লিজা (২০) মো. রাজিব হাওলাদার (২৬)।
এর আগে বুধবার (২৬ জুলাই) বিকেলে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরিচন্না ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খাজুরতলা নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ সদস্য মুছাকে মারধরের ঘটনা ঘটে।
মোবাইলে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন যুবক মিলে পুলিশ সদস্য আবু মুছাকে বেধড়ক মারধর করছেন। এক নারীকেও মারতে দেখা যায় ভিডিওতে। তবে পুলিশ পরিচয় জেনেও থামেননি তারা।
জানা যায়, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের বড় গৌরীচন্না নামক এলাকায় একটি মামলার সাক্ষীদের সমন জারির নোটশি দিতে রওয়ানা হন কনেস্টবল আবু মুছা। এ সময় খাজুরতলা নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তার পূর্ব পরিচিত মোসা. শর্মী আক্তার লিজা কথা বলার উদ্দেশ্যে তাকে ডেকে নেন। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত অন্য অভিযুক্তরা তাকে আটক করে বেধড়ক মারধর করেন।
খবর থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য এসে আবু মুছাকে উদ্ধার করেন। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত চারজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকলে তাদেরও গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবদুল হালিম বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনে যাওয়ার পথে বরগুনার পৌর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওই পুলিশ সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় সুনাম ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি পুলিশের মনোবল ভেঙে দিতেই পরিকল্পিতভাবে এ হামলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তরা আইনবিরোধী কাজ করেছে। তাদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেবি