দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষকে ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত করার আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের ভূমিকা ইতিহাসে আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
বুধবার বিকেলে সুশাসন, সংস্কার ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষে এনসিপির আয়োজিত নির্বাচনী পদযাত্রায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার মতো আর কোনো স্বৈরাচার দেখতে না চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদি সরকার নানা রকম ট্যাগ দিয়ে দেশের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে। তবে অন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর আমরা বলেছি আলেম-ওলামাদের পেছনে রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারে না। তাই ১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে কওমী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা, ইসলামি গবেষণা ও ব্যাংকিংসহ প্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানে সৃষ্টিতে বিশেষভাবে মনোযোগ দিবেন। জাতীয় পে স্কেল করার কমিশনের প্রস্তাবকে ১১ দলীয় জোট সমর্থন করেছেন। আপনাদের ভোটে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করলে এই প্রস্তাব দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনরতদের পে স্কেলে অন্তভুক্ত করা হবে।
জনসভায় এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আহ্বায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন —ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মো. আতাউল্লাহ, নবীনগর-৫ আসনের ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মুফতী আমজাদ হোসেন আশরাফী, এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাসিন হাসানসহ ১১ দলীয় জোট ও এনসিপির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া জেলার ছয়টি আসনের এনসিপি প্রার্থী এবং জোটের নেতাকর্মীরাও জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
আরএ