দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেছেন, রাজাপুর–কাঁঠালিয়া এলাকার মানুষ এখন ভালো ও যোগ্য নেতৃত্ব চায়। তারা এমন একজন প্রতিনিধিকে চায়, যিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন, নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের নৈকাঠি, লেবুবুনিয়া ও আমতলা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি।
ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেন, সাধারণ মানুষের বিবেচনাশক্তি অনেক বেশি। তারা ভালো মানুষকে কোথায় মূল্যায়ন করতে হয়, তা ভালোভাবেই বোঝে। অনেকেই বলেন ভালো মানুষের মূল্যায়ন নেই আমি তা বিশ্বাস করি না। মূল্যায়ন আপনাদের হাতেই।
তিনি আরও বলেন, আমাকে মূল্যায়নের জন্য বিদেশি সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই। শুধু আপনারা বিবেচনা করবেন কে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ার হাল ধরতে পারবে এবং কার নেতৃত্বে এই এলাকায় একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ আসবে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ইনশাআল্লাহ, আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা থাকলে আল্লাহ তাকে মানুষের খেদমত করার সুযোগ দেবেন।
নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি একজন ব্যারিস্টার। অনেকে বলেন, এক ব্যারিস্টার গেছে, আরেক ব্যারিস্টার আসছে। এই কথার উদ্দেশ্য একটাই রাজাপুর–কাঁঠালিয়া একজন শিক্ষিত, সৎ ও যোগ্য মানুষের হাতেই থাকা উচিত।
তিনি বলেন, এই এলাকার মানুষের এমন একজন প্রতিনিধি প্রয়োজন, যার কাছে যে কেউ নির্দ্বিধায় যেতে পারবেন, যার দরজা সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকবে এবং যিনি যে-কোনো সমস্যায় পাশে দাঁড়াবেন। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে আমি আমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করার চেষ্টা করব।
এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেন, রাজাপুর–কাঁঠালিয়ায় বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা সম্ভব। এতে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি স্থাপন করা যাবে, বিশেষ করে কুটির শিল্প, কৃষিনির্ভর শিল্প ও শীতলপাটি শিল্পের মতো খাতগুলোতে।
তিনি বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্মের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন কর্মসংস্থান। চাকরির অভাবে অনেক তরুণ মাদকসহ নানা খারাপ পথে জড়িয়ে পড়ছে। তাদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতেই হবে।
এলাকার ভৌগোলিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজাপুর–কাঁঠালিয়া একটি আদর্শ জায়গা। এখানে নদীবন্দর রয়েছে, ঢাকার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ভালো, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাছেই, বিদ্যুৎ সুবিধা রয়েছে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরও খুব কাছে। সব সুবিধাই আমাদের হাতের নাগালে।
তিনি বলেন, যদি এখানে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন গড়ে ওঠে এবং অন্তত ১০টি ফ্যাক্টরি স্থাপন করা যায়, তাহলে এক হাজার থেকে দশ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এতে মানুষের জীবনমান উন্নত হবে এবং সামাজিক সমস্যাও কমবে।
শেষে ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বলেন, এই কাজগুলো করার সক্ষমতা ও যোগাযোগ আমার আছে। আমি বহু মানুষের সঙ্গে পরিচিত, আইন পেশায় নিয়োজিত এবং বিদেশি অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছি। আপনারা আমাকে সুযোগ দিলে, ইনশাআল্লাহ আগামী পাঁচ বছরে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ার চিত্র বদলে যাবে।
জে আই