দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাবনা সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে নিজ জেলায় দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় তার দ্রুত বদলি চেয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন এক সংসদ সদস্য প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট।
আবেদনটি করেছেন পাবনা-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেনের নির্বাচনী এজেন্ট মো. আব্দুল লতিফ।
মাহমুদা আক্তার আদতে পাবনা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও নিজের জন্মস্থান ময়মনসিংহ দেখিয়ে পাবনার বিভিন্ন থানায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের নিজ জেলায় দায়িত্ব পালনে বিধিনিষেধ থাকলেও তিনি তা অমান্য করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তার স্বামী মো. হামিদুল রহমান রতন পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা পাবনা পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের গোপালপুর এলাকায় নিজস্ব বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছেন।
আবেদনে দাবি করা হয়েছে, পদাধিকার বলে তিনি একটি বিশেষ রাজনৈতিক পক্ষকে সুবিধা দিচ্ছেন। বিশেষ করে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রতীকের অনুসারীদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
লিখিত অভিযোগে আব্দুল লতিফ জানান, ওই কর্মকর্তার কারণে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে তাকে পাবনা থেকে দ্রুত অন্য জেলায় বদলি করার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।
এই আবেদনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব, রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং পাবনা জেলা রিটার্নিং অফিসারকেও পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে আরও জানা গেছে, নির্বাচন অফিসার মাহমুদা আক্তার বেড়া উপজেলায় থাকাকালীন সময়ে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। দ্রুত তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করে সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ।
এ বিষয়ে পাবনা সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ পাঠিয়েও উত্তর পাওয়া যায়নি।
পাবনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তামারা তাসবিহা বলেন, ‘এসব অভিযোগ কি ভেরিফাই করা হয়েছে? এখনো তো প্রিজাইডিং,পোলিং অফিসারদের তালিকা প্রকাশ হয় নাই। পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা কাজ করছি। আপনারা (সাংবাদিকরা) তথ্য যাচাই-বাছাই করে সংবাদ করবেন।’
/অ