দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশে আসার সময় মেহেরপুরে মাইক্রোবাস থেকে একটি কুড়াল, কয়েকটি ওয়াকিটকি ও তিনটি সেল্ফস্টিকসহ তিনজনকে আটক করেছে যৌথবাহিনী।
আটকরা হলেন সেলিম রেজা, শাহারুল ইসলাম ও মাইক্রোবাসের চালক ইজারুল হক। তবে, বিকেলের দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে মেহেরপুর শহরের হোটেল বাজার মোড় এলাকায় যৌথ বাহিনীর চেকপোস্টে যানবাহনে তল্লাশি করার সময় একটি মাইক্রোবাস ওই কুড়াল, ওয়াকটকি ও সেল্ফস্টিক উদ্ধার এবং তিনজনকে আটক করা হয়।
মেহেরপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক বিএম রানা জানান, যৌথবাহিনীর নিয়মিত চেকপোস্টের অংশ হিসেবে গাড়ি চেকিং করা হচ্ছিল। এসময় সাদা রঙের নোয়া মাইক্রোবাস চেক করা হলে ৩টা ফোল ডেবল স্টিক, ১টা কুড়াল, ১টি ইলেট্রিক শকার, ১টা প্লাস, ৩টা ওয়াকিটকি, ৪টা চার্জার ও ১টা হ্যান্ড মাইক উদ্ধার করা হয়। মাইক্রো বাসটি জব্দ করা হয়েছে।
মাইক্রোবাসটি জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজ উদ্দিন খান ব্যবহার করেন বলে জানান তিনি।
তবে, পরে যাচাই-বাছাই শেষে এগুলো প্রাণঘাতি না হওয়ায় বিকেলের দিকে ওই তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মেহেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমিরের মাইক্রোবাস থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ তিনজন আটকের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি।
সোমবার সন্ধ্যায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয় এই প্রতিবাদ জানানো হয়। জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলে হয়েছে, নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াত ইসলামীর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানান ষড়যন্ত্র চলছে। মেহেরপুর জেলা জামায়াতের বিরুদ্ধে এমনই একটি প্রোপাগান্ডা করা হয়েছে। যেখানে প্রয়োজনীয় কিছু টুলস কিটকে অস্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল ১০টার দিকে মেহেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা তাজউদ্দিন খানের গাড়িটি জেলা জামায়াতের অফিস থেকে তার বাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে একজন সাংবাদিক ও একজন দর্শনার্থীকে তুলে নেন গাড়ির চালক।
জেলা আমিরের বাড়িতে যাওয়ার পথে শহরের হোটেল বাজার এলাকার মোড়ে গাড়িটি গতিরোধ করে সেনাবাহিনী। সেখানে গাড়িতে থাকা কিছু নিয়মিত ব্যবহৃত জিনিস ও আত্মরক্ষামূলক দ্রব্যাদিকে অস্ত্র হিসেবে দেখানো হয়। গাড়িসহ তিনজনকে জব্দ করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।
পরবর্তীতে থানায় সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে প্রাণঘাতি না হওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এগুলো কোনমতেই অস্ত্র নই বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
বিষয়টি অতিরঞ্জিত করে কিছু গণমাধ্যমে এবং কেউ কেউ সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচার করছেন। সেখানে এগুলোকে অস্ত্র হিসেবে দেখানো হচ্ছে যা বাস্তবতার পুরাই বিপরীত। প্রতিপক্ষ বিষয়টি অপব্যক্ষার মাধ্যমে মানুষকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে।
আরএ