দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে এক পুলিশ সদস্যকে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছে জনতা। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতে এমন একটি ভিডিও ও একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যের নাম জহিরুল ইসলাম। তিনি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বেলপুকুর থানায় এসআই পদে কর্মরত।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘এটা বেলপুকুর থানার পুলিশ। কান ধরে দাঁড়িয়েছে, জনগণের কাছে কট।’
এর আগে একই দিন বিকেলে পুঠিয়ার পোল্লাপুকুর এলাকায় রাজশাহী-নাটোর মহাসড়কে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রিপল-ই বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত ইসলাম মারা যান। এছাড়া একজন নারী ও আরেকজন পুরুষ মারা গেলেও তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়ে রামেক হাসপাতালে ৮ ও ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভাইরাল হওয়া সেই সময়ের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলছেন, পুঠিয়ার দিক থেকে আসা রাজকীয় পরিবহনের একটি বাস সরাসরি অটোরিকশায় ধাক্কা দিয়েছে। আমার বন্ধু শান্ত ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। এখানে যে পুলিশ সদস্যরা ছিলেন, তারা কোন থানার অন্তর্গত তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। আমরা চাই দ্রুত বাসের চালককে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক। ঘটনার পর শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা রাজশাহী-নাটোর মহাসড়ক অবরোধ করলে কয়েক কিলোমিটার যানজট তৈরি হয়। রাতের দিকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। এসময় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে এক পুলিশ সদস্যকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে নেটিজেনরা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। পরে পুলিশ সদস্যকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে উদ্ধার করেন। বিষয়টি নিয়ে বেলপুকুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরজুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
কে