দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখান’ ছিল— এমন মন্তব্য করে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
পেশায় শিক্ষক হয়েও প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিরত রাখতে নির্বাচন কমিশনের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) বরগুনা-২ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি-২ এর বিচারক বরিশালের সিভিল জজ শেখ ফারহান নাদীম এ সুপারিশ করেন।
মো. শামীম আহসান বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মো. শামীম আহসান বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদের পক্ষে সরাসরি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেন।
গত ১৪ জানুয়ারি বরগুনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য হাসান আহমেদ নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ পর্যালোচনায় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি অভিযোগটি নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধির আওতাভুক্ত এবং অনুসন্ধানের যোগ্য বলে মনে করে। এ বিষয়ে শামীম আহসানকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি উপস্থিত না হয়ে শুধু লিখিত জবাব দাখিল করেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো চিঠিতে বিচারক শেখ ফারহান নাদীম উল্লেখ করেন, শামীম আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হলো।
উল্লেখ্য, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন শামীম আহসান।
তিনি বলেন, ‘আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে- যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সব ধরনের অন্যায়, সব ধরনের চাঁদাবাজ ও দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।’
এবি/