দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনে কারাবন্দী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে ঘোড়া প্রতীক পেয়েছেন বিএনপির সাবেক এমপি শাহ্ শহীদ সারোয়ার।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ শুরু হয়ে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। ১১ আসনে ৬৬ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।
বিএনপির সাবেক এমপি শাহ শহীদ সারোয়ার পক্ষে প্রতীক নিতে আসা শাহ্ তারিক ইস্কান্দার বলেন, ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় আমার বড় ভাইকে জেলে পাঠানো হয়েছে। জনগণ আমাদের পক্ষে থাকায় বড় ভাই প্রার্থী হয়েছে। তবে আমাদের কর্মী সমর্থকদের মামলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা আশা করছি দ্রুত ভাইয়ের জামিন হবে। প্রচার-প্রচারণা কার্যক্রম আমরা নিজেরাই চালিয়ে যাবো।
একই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, তাকে (সারোয়ার) মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপির দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আতাত করে নির্বাচন করেছে তিনি। এই স্বৈরাচারকে মানুষ ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনবে না।
এদিকে, সকাল থেকে প্রার্থীরা দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক পেয়ে নিজ নিজ এলাকায় যান।
ধানের শীষের প্রতীক পেয়ে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনের প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হবে। দীর্ঘ বছর পর এমন একটি নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে ছিল মানুষ। এবার ভোটাররা তারা তাদের পছন্দ মতো ভোট প্রয়োগ করতে পারবে। প্রচারণায়ও সকল প্রার্থীরা সমান সুযোগ পাবে।
নির্বাচিত হলে সীমান্ত হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া মাদক চোরাচালান বন্ধে কঠোর হওয়ার কথা বলেন। মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
১১ সংসদীয় আসনের ৯টিতেই বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। বিষয়টি কিভাবে দেখছেন এমন প্রশ্নে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, যাদের অবস্থান বিএনপির বিরুদ্ধে তারা দলের সঙ্গে বেঈমানী করছে। তাদের প্রতিবাদ জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে দিবে।
তিনি আরও বলেন, আমার আসনেও বিএনপির একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তিনি আমাকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ফন্দি আঁটছেন। কিন্তু এতে সফল হতে পারছেন না। দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা আমার সঙ্গে রয়েছেন।
১১টি আসনের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসন বলা হয়ে থাকে ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনে। এই আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে মানুষ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদান করবেন। সদরে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে।
এই আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, পরিবর্তনের লক্ষে মানুষের রায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আসবে। মানুষ উন্নয়নের স্বার্থে পরিবর্তন চায়।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বলেন, প্রতীক বরাদ্দের সময় প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আচারবিধি লঙ্ঘন করলে আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা এ বিষয়ে বদ্ধপরিকর।
আরএ