দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশে পরিবর্তন চাইলে এবং আগের মতো গুম-খুন ও দমন-পীড়নের রাজনীতি না চাইলে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের মির্জা রুহুল আমিন মিলনায়তনে ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে অতীতে যে অরাজকতা ও নিপীড়ন আপনারা দেখেছেন, তা আর থাকবে না। কথা বলার জন্য কাউকে গুম করা হবে না। আজ যেভাবে আপনারা কথা বলতে পারছেন, ভবিষ্যতেও যেন সেই স্বাধীনতা বজায় থাকে সেটিই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যারা ক্ষমতায় আসবেন তারা যেন নিজেদের ‘লাটবাহাদুর’ মনে না করেন, সে ব্যবস্থাও এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত করা হবে। এর অংশ হিসেবে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদসহ বিভিন্ন কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা সাখাওয়াত বলেন, নির্বাচিত সরকার যেভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারে, একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সেভাবে পারে না। অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো সংসদ সদস্য নেই, মন্ত্রী নেই, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিও নেই। আমাদের সরাসরি কাজ করতে হয়। কিন্তু দেশ পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক কাঠামো প্রয়োজন, আর সে কারণেই এই নির্বাচন ও গণভোট।
তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অনেক মানুষ জীবন দিয়েছেন। আমি নিজে দেখেছি অতীতের নির্বাচনগুলোতে কীভাবে কারচুপি ও টুইস্ট করা হয়েছে। তাই আমরা আগের মতো কোনো নির্বাচন হতে দেব না আমি বিশ্বাস করি, এবার তা হবেও না।
গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, গণভোট শুধু একটি নির্বাচন নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এই বার্তাকে সামনে রেখে প্রত্যেক নাগরিককে ভোটাধিকার প্রয়োগে এগিয়ে আসতে হবে।
মতবিনিময় সভায় গণভোটে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আয়োজন এবং অপপ্রচার রোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
জে আই