দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যশোরের বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উদঘাটন করতে পেরেছে ডিবি পুলিশ। হত্যা মিশনে থাকা শাহীন কাজী (২৫) নামে আরও একজনকে আটকের পর এ তথ্য জানা গেছে।
শাহীন কাজী যশোর শহরের রায়পাড়া তুলোতলা এলাকার কিসলু কাজীর ছেলে। বর্তমানে তিনি শহরের লোন অফিস পাড়া সদর পুলিশ ফাঁড়ির বিপরীতে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে শাহীন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। বিচারক আছাদুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় শাহীনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
ডিবি পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে নিহত আলমগীর হোসেনের জামাই বাসেদ আলী পরশ ১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে সন্ত্রাসীদের ভাড়া করেন। হত্যাকাণ্ডের আগে ১ লাখ টাকা নগদ দেওয়া হয়। হত্যার পর আরও ১৪ লাখ টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে জামাতা পরশ।
ডিবি পুলিশের এসআই অলোক কুমার দে জানিয়েছেন, হত্যা মিশনে তিনটি মোটরসাইকেলে সাতজন অংশ নেয়। শংকরপুর বটতলা এলাকায় আলমগীর হোসেনকে অনুসরণ করে পরিকল্পিতভাবে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। বুধবার গ্রেপ্তার শাহিন কাজীকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, শাহিন কাজীর বিরুদ্ধে হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ মোট তিনটি মামলা রয়েছে। তিনি যশোরের আলোচিত জুম্মান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
আরএ