দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আইনি লড়াইয়ে জয়ী হয়ে অবশেষে গোপালগঞ্জ-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে ফিরেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভুঁইয়া লুটুল।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে ত্রুটির অভিযোগ তুলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে শনিবার শুনানি শেষে কমিশন তার প্রার্থিতা পুনর্বহাল করেন।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোপালগঞ্জ-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সমর্থকেরা আনন্দ ও অভিনন্দন জানাতে থাকেন।
নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে বেরিয়ে ভোটারদের উদ্দেশে এক আবেগঘন বক্তব্যে কামরুজ্জামান ভুঁইয়া লুটুল বলেন, আমার প্রিয় গোপালগঞ্জবাসী, আজ সত্যের জয় হয়েছে। এই জয় লুটুলের নয়, এই জয় আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের। ষড়যন্ত্র করে মানুষের ভালোবাসাকে আটকে রাখা যায় না আজ তা আবারও প্রমাণিত হলো।”
তিনি আরও বলেন, আমি কোনো পদ বা ক্ষমতার লোভে নির্বাচনে আসিনি। আমি এসেছি আপনাদের কণ্ঠস্বর হতে। গত কয়েকটি দিন শুধু আমার আইনি লড়াই ছিল না, এটি ছিল আপনাদের আস্থার মর্যাদা রক্ষার লড়াই। যারা আমার জন্য দোয়া করেছেন, যারা বিশ্বাস হারাননি আমি তাদের কাছে চিরঋণী।
গণতন্ত্র ও উন্নয়নের পক্ষে অবস্থানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি মুক্ত চিন্তায় বিশ্বাস করি। গণতন্ত্রের উৎস হলো জনগণ, আর আপনারাই সেই শক্তির ধারক। আসুন, কাদা ছোড়াছুড়ি ভুলে উন্নয়ন ও সত্যের পক্ষে দাঁড়াই। ভয় নেই আমি আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং শেষ পর্যন্ত থাকব। আমাদের গোপালগঞ্জ হবে বৈষম্যমুক্ত ও প্রগতির প্রতীক।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে কামরুজ্জামান ভুঁইয়া লুটুলের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতিক ও ভোটাররা। তাদের মতে, লুটুলের ব্যক্তিত্ব, মুক্তমনা দৃষ্টিভঙ্গি এবং আপোশহীন অবস্থান তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।
মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘটনায় অনেক সমর্থক হতাশ হয়ে পড়লেও, এই আইনি বিজয় তাকে এলাকায় একজন ‘লড়াকু নেতা’ হিসেবে নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন দেখার বিষয় আগামী নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাররা এই আবেগ ও আস্থার প্রতিফলন কীভাবে ঘটান।
জে আই