দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মূল শ্যুটারকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই অলোক কুমারের নেতৃত্বে ডিবির একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে মিশুককে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক (৩০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার ত্রিদিপ চক্রবর্তী মিশুক একজন ভাড়াটে শ্যুটার। সে বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা এবং মিহির চক্রবর্তী ত্রিনাথের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যার দায় স্বীকার করার পর তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
এদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত নিহত আলমগীর হোসেনের মেয়র জামাই বাসেদ আলী পরশ ও তার সহযোগী আসাবুল ইসলাম সাগর বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় সাবেক কাউন্সিলার নয়নের কার্যালয়ের সামনে আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে তার মৃত্যু হয়।
নিহত আলমগীর হোসেন যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি শংকরপুর ইসহাক সড়ক এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত ইন্তাজ আলী চৌধুরীর ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শামিমা বেগম বাদী হয়ে নিজের জামাতা বাসেদ আলী পরশ ও আসাবুল ইসলাম সাগরসহ অজ্ঞাতনামা আরও চারজনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
জে আই