দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুদকের উপ-পরিচালক এসএম রাশেদুর রেজা মামলাটি দায়ের করেন।
বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬ (১) ধারায় সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তিনি সম্পদ বিবরণী জমা না দেওয়ায় একই আইনের ২৬ (২) ধারায় তার বিরুদ্ধে শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশালের সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। অনুসন্ধানকালে প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ভোগ-দখলে রাখার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর তার নামে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নোটিশ পৌঁছে দিতে ২৬ অক্টোবর দুদকের একজন কনস্টেবল ঢাকার কলাবাগান এলাকায় তার ঠিকানায় গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ৪ নভেম্বর বরিশাল শহরের ঠিকানায় গিয়েও তাকে না পাওয়ায় একই দিন আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল গ্রামের বাড়ির দরজায় সম্পদ বিবরণীর ফরমের মূল কপি টাঙিয়ে নোটিশ জারি করা হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ৪ নভেম্বর নোটিশ জারির পর নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি। ফলে তার বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬ (২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
উল্লেখ, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর জ্যেষ্ঠ পুত্র। তিনি ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি প্রথমে কৌশলে বরিশাল ছাড়েন এবং পরে বাংলাদেশ ত্যাগ করে ভারতে চলে যান বলে জানা গেছে।
জে আই