দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় একই গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ১২ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামের কাচারী মোড় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাট্টা গ্রামের আব্দুল আলী ভূইয়ার ছেলে জীবন ভূইয়া এবং একই গ্রামের জাহের উদ্দিনের ছেলে চন্দন মিয়ার পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি একাধিকবার গ্রাম্য সালিসে মীমাংসা হলেও সম্প্রতি ওই জমির পাশ দিয়ে যাওয়া সরকারি একটি হালটের রাস্তার অংশ নিয়ে নতুন করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার দিন চন্দন মিয়ার পক্ষের লোকজন জীবন ভূইয়ার জমির সংলগ্ন সরকারি হালটের রাস্তার জায়গায় সুরকি ফেলতে গেলে জীবন ভূইয়ার পক্ষের মিরাস উদ্দিন ভূইয়ার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষের বিপুলসংখ্যক লোক দেশীয় অস্ত্র দা, লাঠি, ঢাল, বল্লম এবং ইটের টুকরা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের মধ্যে আজম মিয়া, সজল মিয়া, রামিম মিয়া, রফিকুল ইসলাম খান, এখলাস উদ্দিন খান, শাজাহান খান, মিরাস উদ্দিন ভূইয়া, জীবন ভূইয়া, সাইফুল ইসলাম ভূইয়া, নজরুল ইসলাম ভূইয়া, রোকন ইসলাম ভূইয়া ও মামুন ভূইয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জে আই