দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার আইনশৃঙ্খলা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মোহাম্মদ সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্বাচন সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হবে।
রোববার কক্সবাজারে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক সভায় তিনি আগাম এই তথ্য জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হয়ে যাবে। সেই পরিপত্রে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এখন থেকে যৌথবাহিনীর অপারেশন শুরু হবে সারাদেশে। সকল বাহিনী প্রধানদেরকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনে এরইমধ্যে মিটিং হয়েছে। এ বিষয়ে সকল হেডকোয়ার্টার অবগত।
তিনি আরও বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানের মূল লক্ষ্য হবে তিনটি। এক, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার। নির্বাচন সামনে রেখে যে অবৈধ অস্ত্রের সরবরাহ আছে, সেগুলো উদ্ধার করা। যেগুলোকে উদ্ধার করা সম্ভব না, সেগুলো যেন কোনো অপকর্মে ব্যবহৃত না হয়।
কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, দুই নম্বর বিষয় হচ্ছে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা। আর তিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দল এবং প্রার্থীর যে আচরণবিধি আছে, সেই আচরণবিধির বড় কোন ব্যত্যয় ঘটলে তা যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয় রুটিন যেসব কমিটি আছে তারা দেখবে বলেও জানান তিনি।
রেহিঙ্গাদের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করেন ইসি সানাউল্লাহ। বলেন, ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে। স্থল সীমান্ত ও সাগরপথেও নজরদারি বাড়াতে হবে। যাতে কোনোভাবেই দুষ্কৃতিকারীরা এগুলো ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।
আরএ