দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওগাঁ শহরের আলোচিত নুনিয়াপট্টি সুইপার কলোনিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় বাংলা মদ ও ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত টানা প্রায় ৫ ঘণ্টা নওগাঁ সদর মডেল থানা পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) এবং জেলা পুলিশের বিশেষ টিম যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে পুলিশ ১৬ লিটার ৬০০ মিলিলিটার দেশীয় বাংলা মদ, ৭০ কেজি গাঁজা, ৪৫টি খালি বোতল, ৬৬০টি কর্ক, একটি মোবাইল ফোন এবং মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত নগদ ১ লাখ ৮ হাজার ৯০ টাকা উদ্ধার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নুনিয়াপট্টি সুইপার কলোনি এলাকার রাহুল (১৯) ও রাজা বাসফোড় (৩৭)।
বিকেল ৪টার দিকে নওগাঁ সদর মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, শহরের সুইপার কলোনি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক কেনাবেচা হয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করি। প্রথমে সদর থানা পুলিশের একটি টিম ২৫ থেকে ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। পরে ডিবি ও জেলা পুলিশের বিশেষ টিম নিয়ে আমি নিজে সেখানে উপস্থিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করি।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধারকৃত মাদকগুলো নওগাঁর বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা হয়েছিল। অভিযানের খবর পেয়ে কয়েকজন আসামি পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং এ বিষয়ে আরও কঠোর অভিযান চালানো হবে।
অন্যদিকে, অভিযানের সময় পুলিশ মাদকদ্রব্য না পেয়ে ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে এমন অভিযোগ তুলে নুনিয়াপট্টির কিছু বাসিন্দা বিকেলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েও অবস্থান নেয়।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, অভিযানে উদ্ধারকৃত সব মালামাল যথাযথভাবে জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বৈধ মালামাল থাকলে আদালতের মাধ্যমে তা ফেরত দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নওগাঁ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিয়ামুল হক, ওসি (তদন্ত) খোরশেদ আলমসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জে আই