দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টাঙ্গাইলে ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনের অপব্যবহার, অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে দেশ টিভির অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর বিভিন্ন রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে। তিন পুলিশ কর্মকর্তা হলেন- কালিহাতী থানার এসআই মোর্শেদ আলম, এএসআই আমিনুর রহমান ও বেতারের এএসআই শফিকুল ইসলাম।
গত মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) জেলা পুলিশ সুপার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে তাদের বদলির নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে ১১ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল জেলা থেকে দুইজনকে বদলি করা হল। বদলি হওয়া পুলিশ সদস্যরা নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য ১৪ ডিসেম্বর ছাড়পত্র গ্রহণ করবেন। অন্যথায় তারা ১৫ ডিসেম্বর তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হয়েছেন মর্মে গণ্য হবেন।
চিঠিতে এসআই মোর্শেদ আলমকে বরিশাল রেঞ্জ এবং এএসআই আমিনুর রহমানকে সিলেট মেট্রোপলিটনে বদলি করা হয়। এছাড়া গত পহেলা ডিসেম্বর বেতারের এএসআই শফিকুল ইসলামকে গাজীপুর বদলি করে পুলিশ টেলিকম কর্তৃপক্ষ।
কালিহাতী থানার ওসি জেডএম তৌফিক আজম বলেন, প্রশাসনিক কারণে তাদের দুইজনের একজনকে বরিশাল এবং একজনকে সিলেট বদলি করা হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর তারা থানা থেকে বিদায় নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ নভেম্বর ‘চোরাই মোটরসাইকেল কিনে বিপাকে যুবদল নেতা’ শিরোনামে দেশ টিভির অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে টাঙ্গাইলের কালিহাতী থানার এএসআই আমিনুর রহমান বেআইনিভাবে যুবদল নেতা রায়হান আহমেদ লিজনের বাড়ির গেট ভেঙে প্রবেশ, হুমকি ও টাকা দাবি করেন। একই ঘটনায় এসআই মোর্শেদ আলমের জড়িত থাকার অভিযোগও উঠে।
এছাড়া গত ২৭ নভেম্বর ‘টাঙ্গাইলে যাতায়াত না করেই টিএ বিল তোলেন বেতারের এএসআই শফিকুল!’ শিরোনামে আরেকটি সংবাদ দেশ টিভির অনলাইনে প্রকাশিত হয়। এরপরই গত সপ্তাহে তাকে গাজীপুরে বদলি করে কর্তৃপক্ষ। টাঙ্গাইলে পুলিশ টেলিকমের (বেতার) এএসআই শফিকুল ইসলাম বিরুদ্ধে ভুয়া টিএ বিল দাখিল করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল।
এবি/