দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। গত বছরের তুলনায় উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম।
কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩০ হাজার ৬৯৮ হেক্টর জমি। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ৩০ হাজার ৬৯৭ হেক্টর। মাত্র ১ হেক্টরের এই ঘাটতি বাম্পার ফলনেই পূরণ হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলার সর্বত্র এখন পেকে হলুদ ও সোনালি হয়ে ওঠা ধানের শীষে নেচে উঠছে কৃষকদের স্বপ্ন। মাঠজুড়ে নুয়ে পড়া ধানে ভালো ফলনের ইঙ্গিত মিলছে স্পষ্টভাবে। ফলে আমন ঘরে তোলার ব্যস্ততায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এই এলাকায় এবারের আমন মৌসুম বাস্তবেই বাম্পার ফলনের বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
চম্পাপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের কৃষক সোহেল বাদশা বলেন, লবণাক্ততা আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। তবে আল্লাহর রহমতে কোনো ক্ষতি হয়নি। ফলন ভালো হয়েছে, তাই আমরা খুব খুশি।
কুয়াকাটা এলাকার কৃষক বায়েজীদ জানান, এ বছর আমনের দাম ভালো। তবে তেল, সার ও কীটনাশকের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে। তাই ন্যায্যমূল্য পেতে সবার সহযোগিতা চাই।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাহিদ ইসলাম বলেন, এ বছর আবহাওয়া পুরোপুরি অনুকূলে ছিল। সময়মতো সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা দিতে পেরেছি। উপজেলায় ৭০ শতাংশ জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান রোপণ হয়েছে। ফলে প্রতি বিঘায় উৎপাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি।
তিনি আরও বলেন, এই বাম্পার ফলন স্থানীয় ঘাটতি পূরণসহ বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।
জে আই