দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হোটেল কর্মচারী ইয়াছিন (২৫) মারা যান।
নিহত ইয়াছিন উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।
এর আগে গত শনিবার রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিপন (৩০) নামে আরও একজন মারা যান। তিনি নূরজাহানপুর গ্রামের আব্দুল মোন্নাফ ওরফে মনেক ডাকাতের ছেলে।
এ ঘটনায় নূর আলম ও প্রতিপক্ষের এমরান মাস্টার নামে আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নূরজাহানপুর গ্রামের শিপন ও থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাতের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে শনিবার রাতে গণিশাহ মাজারের পাশে একটি হোটেলে খাবার খাওয়ার সময় রিফাত, আরাফাতসহ কয়েকজন শিপনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে শিপন, হোটেল কর্মচারী ইয়াছিনসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে শিপন রাতেই মারা যান এবং সোমবার সকালে ইয়াছিনের মৃত্যু হয়।
এদিকে এই ঘটনার পরপরই মনেক মিয়ার অনুসারীরা প্রতিপক্ষের এমরান মাস্টারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় এমরান মাস্টার গুলিবিদ্ধ হন এবং তাকেও ঢাকায় পাঠানো হয়।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি, তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
/অ