দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরে ভান্ডারিয়ার একটি কওমী মাদরাসা নাজেরা শাখার ৬ বছর বয়সী আবাসিক শিক্ষার্থী ওসমান মল্লিককে পায়ে শিকল বেঁধে পাঠদান করার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ভান্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহেনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসমান মল্লিক দুই দফা মাদরাসা থেকে পালিয়ে বাড়ি যাওয়ার কারণে তাকে পায়ে শিকল বেঁধে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তা নিশ্চিত করেন। এরপর ইউএনও রেহেনা আক্তার ধাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক, পুলিশ ও মহিলা ইউপি সদস্যকে পাঠিয়ে শিশুটিকে শিকল মুক্ত করান।
মাদরাসা শিক্ষক মো. ইয়াহিয়া জানান, শিশুটি দুই দফা মাদরাসা থেকে পালিয়ে যাওয়ায় বড় ভাই আবুবকর মল্লিক শিকল ও তালা ব্যবহার করেন। পরে শিশুটিকে শিকল মুক্ত করা হয়েছে।
শিশুটির বড় ভাই আবু বকর বলেন, ওসমান মনোযোগ দিয়ে পড়তে চায় না। দুই বার পালিয়ে গেছে। এ কারণে পায়ে শিকল পড়ানো হয়েছিল।
ভান্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক মো. কাইয়ূম বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই শিশুটির পায়ের শিকল খুলে দেওয়া হয়েছে। শিশুটির অভিভাবক ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে এমন কাজ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জে আই