দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে স্বামীকে হত্যা করে দীর্ঘ ২২ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ডলি বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
শুক্রবার ( ১৪ জুলাই) ঢাকার আদাবর উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে র্যাব-৫।
ডলি বেগম পাঁচবিবি উপজেলার কুটুহারা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের স্ত্রী ও একই গ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পাঁচবিবি উপজেলার মঠপাড়া গ্রামের ফয়েজের ছেলে আবুল হোসেনের সঙ্গে বিয়ে হয় ডলি বেগমের। বিয়ের পর থেকে আবুল হোসেন তার শ্বশুরবাড়িতে ঘর জামাই থাকতেন। সে সময় পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া বিবাদ চলছিল। একই সঙ্গে ডলি পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তার এই সর্ম্পক জেনে যাওয়ায় তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে স্ত্রী ডলি।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০০১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে আসামিরা শ্বাসরোধ করে আবুলকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরের দিন তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা পাঁচবিবি থানায় মামলা করেন। ২৬ জুন দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নুর ইসলাম চারজন আসামির যাবজ্জীবনের রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কুটাহারা গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী ডলি বেগম, মৃত নিগমা উড়াওয়ের ছেলে সুরেন উড়াও, ধলু মণ্ডলের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান ও দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের ফিরাজ উদ্দীনের ছেলে কাফা। এর মধ্যে ডলি বেগম পলাতক ছিলেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে থাকে।
র্যাব ৪ (সিপিএসসি) এবং র্যাব ৫ (সিপিসি-৩) এর যৌথ অভিযানে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ডলিকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিকে পাঁচবিবি থানায় জিডি মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।