দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওগাঁয়ের পত্নীতলা, মহাদেবপুর, বদলগাছি ও সদর উপজেলার বেশ কিছু এলাকা শনিবার বিকেলের আকস্মিক ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্তও ঝড়ের ধ্বংসাবশেষ সরানো সম্ভব হয়নি। অনেক গ্রামের মানুষ এখনো খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাচ্ছেন।
পত্নীতলা উপজেলার ঠুকনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় টিউবওয়েলও কাজ করছে না। ফ্রিজের খাবার দ্রুত নষ্ট হচ্ছে।
একইভাবে মহাদেবপুরের জোয়ানপুর গ্রামের কৃষক শাহজাহান আলী জানান, কলার বাগান ছিল তিন বিঘা জমিতে। সব গাছ ভেঙে গেছে। ঋণ কিভাবে শোধ করব, বুঝতে পারছি না।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঝড়ে প্রায় ১৪০ হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে পত্নীতলায় ৫৫ হেক্টর কলা ও শাকসবজির জমি এবং মহাদেবপুরে ৪০ হেক্টর কলার বাগান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৪৫ হেক্টর রোপা আমন ধান আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ হুমাইরা মন্ডল জানান, ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ চলছে। কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য বীজ ও সার সহায়তার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
নওগাঁ বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, ঝড়ে বেশ কিছু খুঁটি ভেঙেছে। পত্নীতলার কিছু এলাকায় সংযোগ ফিরেছে, তবে বিলশিকারী ও মাতাজীতে এখনও কাজ চলছে।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য শুকনো খাবার ও নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ডেউটিন বরাদ্দ দেয়া হবে।
স্থানীয়রা প্রশাসনের তৎপরতা সত্ত্বেও দ্রুত পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য, ডেউটিন, বিদ্যুৎ, বীজ ও পশুখাদ্যের সহায়তা ছাড়া স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব নয়।
জে আই