দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেত্রকোনার পূর্বধলায় দাফনের প্রায় আড়াই মাস পর রানা (৭) নামে এক শিশুর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গোহালাকান্দা ইউনিয়নের কান্দুলিয়া গ্রামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা রুজির নেতৃত্বে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন কান্দুলিয়া গ্রামে একটি ফিশারিতে পড়ে রানার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর কোনো সন্দেহ না থাকায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তবে পরবর্তীতে শিশুর বাবা সন্দেহ প্রকাশ করে প্রতিবেশী শহিদ মিয়াকে আসামি করে গত ২৩ জুলাই নেত্রকোণা আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন প্রতিবেশী শহিদ মিয়া (৪৮) শিশু রানাকে দোকান থেকে সিগারেট আনতে পাঠান। কানে কম শোনার কারণে রানা সিগারেট না এনে গরুর খাদ্য (ভুসি) এনে দিলে শহিদ মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে থাপ্পড় মারেন। এতে রানা অচেতন হয়ে পড়লে শহিদ মিয়া তাকে পাশের ফিশারিতে ফেলে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন রানার বাবা।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম বলেন, আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলন করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তে হত্যার আলামত পাওয়া গেলে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফএইচ/