দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গত ৫ আগস্টের কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন গাইবান্ধার ঘাগোয়া ইউনিয়নের শহিদুল ইসলাম। দীর্ঘ এক বছর পরও তিনি সুস্থ হতে পারেননি এবং এখনও দুই গুলির ক্ষতচিহ্ন নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগছেন। এরপরেও তার নাম ‘জুলাই যোদ্ধা’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শহিদুল ইসলাম ৫ কেজির বেশি কোনো ভারি জিনিস বহন করতে পারবেন না এবং দীর্ঘ সময় বিশ্রামে থাকতে হবে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি ও তার পরিবার চিকিৎসা এবং জীবিকার খরচ চালাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন।
শহিদুল জানান, আমি আগে উপার্জন করে পরিবার চালাতাম। এখন বিছানায় শুয়ে থাকি, ছেলে-মেয়ের মুখে দু’মুঠো খাবার দিতে পারি না। উন্নত চিকিৎসা করানোর জন্য অর্থ নেই।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, আন্দোলনের প্রকৃত যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে তালিকায় অনেক অনুপস্থিত ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গাইবান্ধা জেলার একাধিক বাসিন্দা ও রাজনৈতিক কর্মীরা দাবি করেছেন, শহিদুলের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।
জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহম্মদ বলেন, যাদের নাম এখনও অন্তর্ভুক্ত হয়নি, তাদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে তালিকায় নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
এ পর্যন্ত শহিদুল শুধু জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে ১ লাখ টাকা সহায়তা পেয়েছেন। এক বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পাননি।
জে আই/আরএ