দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ফুলপুরে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সময় হাতে-নাতে ধরে ফেলে স্থানীয় জনতা। এ ঘটনার পর পুলিশ ওই নারী-পুরুষকে আটক করে। আটকের পর সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।
আটককৃতরা হলেন- পৌরসভার পাইকপাড়া গ্রামের প্রদীপের ছেলে স্বপ্নিল শাহা (২০)। সে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড কাঁচামালের ব্যবসা করেন। একই সঙ্গে দুই সন্তানের জননীকে আটক করা হয়।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুলিশ বাদী হয়ে মামলার পর আটককৃতদের আদালতে পাঠায়।
এর আগে গত শনিবার রাত ১০টায় উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের সিংহেশ্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার সিংহেশ্বর গ্রামের দুই সন্তানের জননীর সঙ্গে স্বপ্নিল সাহার মোবাইলে পরিচয় হয়। মোবাইলে পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ধীরে ধীরে তা অনৈতিক সম্পর্কে গড়ে ওঠে। প্রায়ই ওই যুবক নারীর ঘরে গোপনে যাতায়াত করতেন। শনিবার রাতে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানো অবস্থায় স্থানীয়রা তাদেরকে আটক করে। আটকের পর রশি দিয়ে বেঁধে রেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা।
স্বপ্নিল শাহা বলেন, তার সঙ্গে আমার ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরেই সম্পর্ক হয়। ধীরে ধীরে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে সে আমাকে সবকিছু খুলে বলে। তাকে বলি আমি হিন্দু ধর্মের। এছাড়াও আপনার দুটি সন্তান আছে। পরে তার সঙ্গে অবৈধ কাজ করতে আমাকে বাধ্য করে সে। আরও কয়েকবারই তার সঙ্গে আমার একান্ত দেখা হয়েছে।
ওই গৃহবধূ বলেন, আমার স্বামী আমাকে ঠিকমত সুখ দিতে পারতো না। পরে আমি ফেসবুকের মাধ্যমে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলি। একপর্যায়ে তার প্রতি আমার আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। তারপর থেকেই তার সঙ্গে আমি এ কাজে লিপ্ত হই। আমি ভুল করেছি। এখন আমি খুবই অনুতপ্ত। স্বামী-শ্বশুর-শাশুড়ি ক্ষমা করে নিলে ভবিষ্যতে আর এমন কাজ আমি করবো না।
ওই গৃহবধূর স্বামী বলেন, আর যাইহোক এমন নারীর সঙ্গে কখনো ঘর-সংসার করা যায় না। এছাড়া সে আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আমি এ নারীর কাছ থেকে মুক্তি চাই।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. খাইরুল বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে থানায় আনি। তবে, কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। পরে পুলিশ বাদী হয়ে ২৯০ ধারায় মামলা করে তাদের আদালতে পাঠান।
আরএ