দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এক সময়ের আমদানিনির্ভর হিলি স্থলবন্দর এখন ধীরে ধীরে রপ্তানি বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। চলতি বছরের জুন মাস থেকে এ বন্দর দিয়ে দেশীয় বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ভারতে রপ্তানি শুরু হয়েছে। মাত্র তিন মাসে ভারতমুখী রপ্তানি হয়েছে ৩ হাজার ১২৫ টন পণ্য, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা।
সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, বন্দরের ভেতরে ও বাইরে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশি পণ্যবাহী ট্রাক, ভারতগামী রপ্তানির অনুমতির অপেক্ষায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন।
কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রপ্তানি হচ্ছে ম্যাংগো ড্রিংকস, লিচি ড্রিংকস, কোমল পানীয়, টোস্ট-বিস্কুট, জেলি, চকলেট, টফি, মটর ভাজা, তুলা, রাইস ব্র্যান ক্রুড অয়েল ও ফ্যাটি এসিডসহ নানা পণ্য। তবে একই সড়কপথ দিয়ে আমদানি ও রপ্তানি চলার কারণে ব্যবসায়ীরা সময়মতো পণ্য পরিবহনে সমস্যায় পড়ছেন।
এ বিষয়ে রপ্তানিকারক প্রতিনিধি রাশেদ বলেন, দীর্ঘ বিরতির পর রপ্তানি চালু হওয়ায় ব্যবসায়ীরা উৎসাহিত। ভারতের বাজারে আমাদের খাদ্যপণ্যের চাহিদা অনেক। কিন্তু একমুখী রাস্তার কারণে ইচ্ছেমতো রপ্তানি করা সম্ভব হচ্ছে না। রাস্তা প্রশস্ত হলে রপ্তানি আরও বাড়বে।
বাংলা হিলি সি অ্যান্ড এফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, আমাদের দেশীয় সবজিরও ভারতে ভালো চাহিদা আছে। কিন্তু কোয়ারেন্টাইন অফিস না থাকায় সেগুলো রপ্তানি করা যাচ্ছে না। দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান হলে বাণিজ্য বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জানান, আগে সীমিত কিছু পণ্য রপ্তানি হলেও এখন তালিকায় যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন পণ্য। ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় কাস্টমস সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।
জে আই/কে