দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের আশ্বাসে চার ঘণ্টা পর রেল অবরোধ তুলে নিলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিন দফা দাবিতে জব্বারের মোড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথ অবরোধ করে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহের জব্বারের মোড়ে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ আন্দোলনের ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরে হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক ঘণ্টা আটকে রেখে ছাড়ে শিক্ষার্থীরা।
এরপর দুপুর ১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনটি আটকে রাখে শিক্ষার্থীরা। এসময় ট্রেনে থাকা যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। পরে জেলা প্রশাসক মো. মফিদুল আলম, জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম ঘটনাস্থলে এসে কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে আন্দোলন থেকে শিক্ষার্থীদের সরে যেতে আশ্বস্ত করেন।
কৃষি অনুষদের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহাদ এনাম বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দশম গ্রেডের পদগুলো শুধুমাত্র কৃষিবিদদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। এসব দাবিতে গত ৬ মাস ধরে আন্দোলন করছি। প্রশাসন না মানায় রেলপথ অবরোধ করছি। অবরোধে ভোগান্তির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। জেলা প্রশাসক মহোদয় এসে কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে আগামী মঙ্গলবার আমাদের প্রতিনিধি দলের বৈঠকের ব্যবস্থা করায় অবরোধ তুলে নিয়েছি। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব।
জেলা প্রশাসক মো. মফিদুল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক। কিন্তু রেলপথ অবরোধ করে আন্দোলনের কারণে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সেখানে গিয়ে কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে বৈঠকের সিদ্ধান্ত হওয়ায় তারা আন্দোলন তুলে নিয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বিভিন্ন স্টেশনে ট্রেন আটকে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা চার ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
মোহনগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনের যাত্রী হোসনে আরা বলেন, আন্দোলন মানেই রাস্তা এবং রেলপথ অবরোধ এটা কেমন। পুরো ট্রেনের যাত্রীরা তিন ঘণ্টা ট্রেনের মধ্যে ভোগান্তি পুহিয়েছে। অনেক যাত্রী অসুস্থ ছিল, তারা আরও বেশি সমস্যায় পড়ে। এমন কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আরএ