দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সীমান্তে কড়া নজরদারির কারণে কৌশল পাল্টাচ্ছে ভারতীয় চোরাকারবারিরা। তারা এখন পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয় কাস্টমসকে ম্যানেজ করে বৈধ পথে ইমিগ্রেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহার দেখিয়ে আনা এসব পণ্য আসলে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ ইমিগ্রেশনে ভারতীয় পণ্যের চালান আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম কিবরিয়া।
তিনি জানান, ভারত সরকার বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা সীমিত করায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভারতীয় নাগরিকদের মাধ্যমে অবৈধভাবে পণ্য আনছে। নিয়ম অনুযায়ী একজন যাত্রী কেবল নিজের প্রয়োজনীয় মালামাল আনতে পারলেও এখন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত পণ্য বহন করা হচ্ছে। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে আর চোরাকারবারিরা লাভবান হচ্ছে।
গতকাল শুক্রবার (১৫ আগস্ট) মালদহ জেলার মাহাদীপুরের বাসিন্দা ভারতীয় নাগরিক হাইয়ুল শেখ সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন দিয়ে প্রবেশের সময় ধরা পড়েন। তার কাছ থেকে ২ হাজার ২৫০টি জিলেট ব্লেড ও ১ হাজার ৮০০টি নিভিয়া ক্রিমসহ প্রায় ৮০ কেজি মালামাল জব্দ করে বিজিবি। তবে ব্যক্তিগত ব্যবহারের কোনো মালামাল তার সঙ্গে ছিল না। বিজিবি মালামালগুলো জব্দ করে কাস্টমসে হস্তান্তর করেছে।
অধিনায়ক লে. কর্নেল কিবরিয়া আরও জানান, হাইয়ুল শেখ এর আগেও একাধিকবার বাংলাদেশে প্রবেশ করে পণ্য সরবরাহ করেছেন। গত ২১ জুলাই অতিরিক্ত ১০৮ কেজি মালামাল বহন করায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাকে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। শুধু তিনি নন, আরও কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক একইভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য আনার অভিযোগ আছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন ব্যবহার করে ভারতীয় ও বাংলাদেশী অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধ বাণিজ্যে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
এমএস/কে