দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
গোপালগঞ্জে এনসিপির সভায় হামলার ঘটনায় ‘ট্রল’ করে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মোশফেকুর রহমান ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন বৈষমবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ট্রাফিক মোশফেকুর রহমান তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে গোপালগঞ্জে এনসিপির সভায় জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলার ঘটনায় ‘ট্রল’ করে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ট্যাংকের এসি খুব আরামদায়ক শুনেছি।’
ফেসবুকে পোস্ট দেখে ক্ষুব্ধ হন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। তারা তাকে দিনাজপুর থেকে প্রত্যাহার ও গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশ সুপার কার্যালয় প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। পরে পুলিশ সুপার মারুফাত হোসেন আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করেন যে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোশফেকুর রহমানকে দিনাজপুর থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে তাকে আটক না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা কমিটির আহ্বায়ক একরামুল হক আবির জানান, এক বছর আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোসফেকুর রহমানের নির্দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে তিনি এখন পর্যন্ত দিনাজপুরে কর্মরত রয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগের সেল্টার নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নানা সময়ে হেনস্তা করে আসছেন। তিনি আজ গোপালগঞ্জে এনসিপির সভায় বিপ্লবীদের ওপর হামলার ঘটনায় ‘ট্রল’ করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। আমাদের একটাই দাবি, তাকে দিনাজপুর থেকে প্রত্যাহার করে তার নামে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করতে হবে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন থেকে সরে আসবো না।
পুলিশ সুপার মারুফাত হোসেন জানান, বিকেলে পোস্ট দেখার পরপরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাকে প্রত্যাহার বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আরএ