দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির গোপালগঞ্জ জেলা সমন্বয়ক কমিটির পদের বিষয়ে জানেন না ছালিম কাজী নামের কমিটির এক সদস্য। কমিটি ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মো. আরিফুল দাড়িয়াকে প্রধান সমন্বয়কারী করে ১০ জন যুগ্ম সমন্বয়কারী এবং ১৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সেখানে গোপালগঞ্জ জেলা সমন্বয় কমিটির এক নম্বর সদস্য করা হয় ছাদিম কাজীকে।
এ বিষয়ে শুক্রবার (৪ জুলাই) দুপুরে ছাদিম কাজী তার নিজ ফেসবুক আইডিতে এক পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, এতদ্বারা সকলের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আমার অনুমতি ব্যতীত আমাকে এনসিপি দলের কমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়েছে। সেটা আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অনাকাঙ্খিত ঘটনা। এই ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। এটা আমার বিরুদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করেছে। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য না এবং এনসিপি দলেরও সদস্যও না।
এ ব্যাপারে ছাদিম কাজীর মুঠোফেোন একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
গোপালগঞ্জ জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক মো. আরিফুল দাড়িয়া বলেন, ছাদিম কাজী দীর্ঘ দিন যাবত এনসিপির সকল কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। সকল আভ্যন্তরীন মিটিংসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্রুপ গুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে এবং বিভিন্ন স্থানে এনসিপির পরিচয় ব্যবহার করেছে। কমিটি ঘোষণার পরে ছাদিম অভ্যর্থনা জানিয়েছে গ্রুপে। শুক্রবার পদত্যাগ করার জন্য প্রধান সমন্বয়ককে জানায় ছাদিম। তাহলে কেন সে ফেসবুকে এমন বিরূপ স্ট্যাটাস দিয়েছে সেটি বলতে পারছি না। ধারনা করা হচ্ছে কমিটিতে তার পদবী মনপুত না হওয়ায় সে এমনটি করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত জমা দেয় নাই ছাদিম।
কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান এনসিপির জেলা সমন্বয়ক।
এফএইচ/